ESET NOD32 Smart Security - a complete security system from the company Eset, which combines antivirus, anti-spyware module software, personal firewall and a module to combat junk e-mail newsletters. Each module Smart Security is configured to interact
with other parts of the program, thus ensuring full protection for your
computer and that is not unimportant, optimal use of system resources.
ESET NOD32 Smart Security prevents the risk of infecting your computer,
detects and removes different kinds of malware that provides protection
from viruses, Trojans, worms, rootkits, spyware, Adware, Spyware and other Internet threats.
Hey! I'm sharing all the info. just for your interest. I want you to leave comments. It will help us to be better in future. Thanks !
বুধবার, ২৩ মে, ২০১২
বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১২
Advanced System Care Professional Version 5.2.0.22
আজ আপনাদের এমন একটি সফটওয়্যার উপহার দিব যেটি অনেকেই হয়তো
খুঁজছেন।এটি হল Advanced System Care-Pro 5.2.0.22।এর ফ্রী ভার্সন টা হয়তো
অনেকের কাছেই আছে,কিন্ত Professional Version টা হয়তো আবার অনেকের কাছেই
নেই।এর সুবিধাগুলো নতুন করে বলার কিছু নেই।এটি Install করলে ফ্রী দেখাবে
তখন open করে সফটওয়্যার টির নিচের Upgrade অপশন এ Click করুন।নেট
connection off করে নিন।এরপর Serial Key দিন এবং Finish করুন একটু অপেক্ষা
করুন তারপর ৩ বার Next এ Click করুন।ব্যাস হয়ে গেলো Professional Version।
File টির Serial key এবং Download link পেতে নিচের Download বাটনে Click
করুন।ধন্যবাদ।
DOWNLOAD from here...
DOWNLOAD from here...
সোমবার, ৯ এপ্রিল, ২০১২
নৈসর্গিক অপরুপ সুন্দরী নাফাখুম… বাংলাদেশের নায়াগ্রা
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের কে বাংলাদেশের একটি নৈসর্গিক অপরুপ সুন্দর একটি জনপ্রিয় স্থানের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এর নাম নাফাখুম…… বাংলাদেশের নায়াগ্রা ! এটি অবশ্য বান্দরবন জেলার পাহাড়ে আবদ্ধ দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত। যাইহোক এবার বিস্তারিত কিছু বলব-
![]() |
নাফাখুম |
বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি স্থানটি সাঙ্গু নদীর উজানে একটি মারমা বসতী। মারমা ভাষায় 'খুম' মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর সেই জলপ্রপাতে, যার নাম 'নাফাখুম'। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট....প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়... প্রায় যেন উজানের সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবতঃ নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত। আমার দেশে এত সুন্দর একটা জলপ্রপাত....অথচ আমরা খুব কম জন-ই এই জলপ্রপাতটা সম্মন্ধে জানি!
![]() |
| নাফাখুম (আপস্ট্রীম থেকে তোলা) |
নাফাখুমের পড়ন্ত জলের ধারার নীচে গিয়ে বসার সুযোগ রয়েছে। আমার-আপনার জন্য বিষয়টা বেশ রিস্কি হলেও পাহাড়ীরা জলপ্রপাতের পিছনে বসে অনায়াসে মাছ শিকার করে। এক ধরনের উড়ুক্কু মাছ (স্থানীয় ভাষায় মাছটির নাম নাতিং মাছ) উজান ঠেলে এসে নাফাখুমে বাধাপ্রাপ্ত হয়, লাফ দিয়ে এই প্রপাত-টা আর ক্রস করতে পারেনা....গিয়ে পড়ে জলপ্রপাতের ভিতরে ছোট্ট একটা গুহায়। অনায়াসে সেখান থেকে মাছ সংগ্রহ করে স্থানীয় পাহাড়ীরা ।
![]() | ||
| রেমাক্রি বাজার (নদী থেকে তোলা) |
রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে নাফাখুম-এ যাওয়া যায়। এক ঘন্টা উঁচু-নীচু
পাহাড়ী পথ মাড়িয়ে(পাহাড় ডিঙিয়ে) তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে বাকিটা হেঁটে
চলা। এই পথে গেলে নাফাখুমে পৌঁছাতে আপনার সময় লাগবে চার ঘন্টা। রেমাক্রি
খাল ক্রস করতে হবে তিন বার, যার মধ্যে শেষবার আপনাকে সাঁতার পানি পেরুতে
হবে। আপনি পাহাড় না ডিঙিয়ে গোটা পথই রেমাক্রি খালের পাশ দিয়ে যেতে পারেন।
কিন্তু সেক্ষেত্রে নৌকা করে রেমাক্রি খালের মুখে (যেখানে রেমাক্রি খাল
সাঙ্গুতে পড়েছে, রেমাক্রিখুম) যেতে হবে আপনাকে...তারপর খালের পাড় দিয়ে
হাঁটা পথে নাফাখুম বরাবর। এই পথে আপনাকে চার বার খালটি ক্রস করতে হবে...তবে
সময় লাগবে তিন ঘন্টা। আমি আপনাকে দ্বিতীয় পথেই যেতে পরামর্শ দেব...এতে
আপনার সময় ও এনার্জী দু'টোই ব্যয় হবে কম। আর শীতের দিনে গেলে খাল ক্রস করার
ঝামেলাই নেই.... গোটাটাই আপনি ঝিরিপথ দিয়ে হেঁটে যেতে পারবেন। তবে শীতকালে
নাফাখুম-এর এই পূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ হবেনা.... পানি প্রবাহ
অনেক কমে যাবে তখন।
রেমাক্রিখুম-টাও খুব সুন্দর! রেমাক্রি বাজারের কাছেই এই 'রেমাক্রি খুম'।
রেমাক্রি খাল যেখানে এসে সাঙ্গু নদীতে পড়েছে.... সেটাই রেমাক্রি খুম।
![]() |
| রেমাক্রিখুম |
পাঁচ-ছয় ফুট উপর থেকে কয়েকটি ধাপে পানি পড়ছে এই জলপ্রপাতে। এ'টি অনেক চওড়া। এই জলপ্রপাতটিও আপনাকে মুগ্ধ করবে নিঃসন্দেহে। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাবার পথেই চোখে পড়বে এই রেমাক্রিখুম।
![]() |
| রেমাক্রিখুম |
আরও কিছু তথ্য শেয়ার করছি এখানে...
![]() |
| নীলগিরি |
বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা (বান্দরবান জেলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা) সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা, ভাড়া নেবে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। পথে চিম্বুক আর নীলগিরিতে নেমে কিছু ছবি তোলার ইচ্ছে থাকলে সময় কিছুটা বেশী লেগে যেতে পারে।
![]() |
| তিন্দু (সাঙ্গুর পাড়ে) |
বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘন্টা। এই পাঁচ ঘন্টার নৌ-পথে আপনি উজান ঠেলে উপরের দিকে উঠতে থাকবেন আর ভার্টিকেল ডিষ্টেন্স কভার করবেন প্রায় ৫০ মিটার । শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা...তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন। বর্ষা মৌসুমে তিন দিনের জন্য ইঞ্জিনবোটের ভাড়া পড়বে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর শীত মৌসুমে ঠ্যালা-নৌকার ভাড়া পড়বে প্রতি দিনের জন্য ১০০০ টাকা।
![]() |
| সাঙ্গু নদীর উজানে হঠাৎ এরকম স্টেপ-ডাউন পাবেন প্রচুর |
থানচি থেকে যত উজানে যাবেন (দক্ষিণে).... নদীর স্লোপ তত বাড়তে থাকবে। গোটা নদীপথেই একটা জেন্টেল স্লোপ-তো আছেই...তার উপরে মাঝে মাঝেই আছে ১ ফুট থেকে ১ মিটার পর্যন্ত খাড়া স্টেপ-আপ। আমি রেমাক্রি ছাড়িয়েও ছোট মওদক পর্যন্ত গেছি। কিন্তু তিন্দু থেকে রেমাক্রি পর্যন্ত নদীপথ-টুকুই বেশী খরস্রোতা ও একটু ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢালু পাহাড়ী নদী খরস্রোতা হওয়াই স্বভাবিক... বর্ষায় সাঙ্গুও সেইরকম খরস্রোতা। তবে ভয় পাবার কিছু নেই। নৌকার মাঝিরা যথেষ্ট স্কীল বলেই মনে হলো। দু' একটা দূর্ঘটনার গল্প হয়তো শুনবেন.... কিন্তু আমি ভয়ের কিছু দেখিনি, বরং ফেরার সময় রাফটিং-এর একটা মজা উপভোগ করেছি। থাকা-খাওয়ার কিছুটা অসুবিধা মেনে নিলে এমনকি এ্যডভেঞ্চার প্রিয় মেয়েরাও অনায়াসে রেমাক্রি পর্যন্ত ঘুরে আসতে পারবেন।
![]() |
| চমৎকার সুস্বাদু চাঁপা কলা |
থানচি থেকে নৌকায় উঠার সময় মাত্র ১০০ টাকায় এইরকম এক কাঁদি চাঁপা কলা নৌকায় তুলে নিলে.... পথে বেশ কাজে লাগবে।
* হাতি পোকার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য এন্টি মসক্যুইটো ক্রীম নিতে ভুলবেন না।
*বিডিআর ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা না করতে পারলেও কোন অসুবিধা নেই। নিশ্চিন্ত মনে বছরের যে কোন সময় ৪ থেকে ৬ জনের গ্রুপ নিয়ে চলে যান তিন্দু, রেমাক্রি। মারমাদের বাঁশ-কাঠের বাড়ীতে অনায়াসে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হয়ে যাবে আপনাদের। মারমাদের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতেই খুব অল্প টাকায় এমন থাকা-খাওয়ার সুবিধে রয়েছে। তিনবেলা খাওয়ার খরচ পরবে জনপ্রতি ২০০ টাকা, আর থাকা ফ্রি। তবে যে বাড়ীতে ফ্রি থাকবেন... খেতে হবে তাঁর দাওয়ায় বসেই।
*থানচি পর্যন্ত আপনার টেলিটক মোবাইলের নেটওয়ার্ক পাবেন। তিন্দু গিয়ে আপনার মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকলেও আপনি একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবেন না। মারমাদের দোকান থেকে বাঁশের উপর এ্যন্টেনা লাগানো সেট থেকে চাইলে বাইরের পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। কিন্তু রেমাক্রি পৌঁছালে আপনি একেবারেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।
থানচি বা নাফাখুমের পথে সম্ভাব্য খরচ এবং ব্যবস্থা এমন.....
ঢাকা – বান্দরবান
বাস; ৩০০-৪০০ টাকা; ৭-৯ ঘন্টা• বান্দরবান – থানচি
বাস; ১৬৫ টাকা; ৫-৬ ঘন্টা
জীপ; ৪০০০-৫০০০ টাকা; ৪-৫ ঘন্টা
• সাঙ্গু নদী পারাপার; জনপ্রতি ৫ টাকা
• ঘর ভাড়া
প্রতি রুম; ২০০-৪০০ টাকা
প্রতি বেডিং; ৫০-৭০ টাকা প্রতি রাত
• খাবার
গড়পরতায় নাস্তা ৫০-৮০ টাকা; দুপুর এবং রাতের খাবার ৭০-১২০ টাকা। হোটেলে
আগেই কথা বলে রাখা ভালো। এতে প্রাপ্তির উপর নির্ভর করে ইচ্ছে মতোন মাছ,
মাংস, সবজি বা ডিমের ব্যাপারটি নিশ্চিত করা যায়।
• বোট
গন্তব্যের দূরত্বের উপর নির্ভর করে ৩০০০-৭০০০ টাকা ভাড়া; এক্ষেত্রে ভ্রমণ
পরিকল্পনায় যদি তিন্দু বা রেমাক্রিতে রাত কাটাতে হয় তবে মাঝি/বোট আপনাদের
সাথে থাকবে। সেটা বিবেচনায় রেখেই বোট ভাড়া করতে হয়। শীট মৌসুমে ঠ্যালা
নৌকার জন্যে প্রতি দিনের জন্যে ভাড়া ১০০০ টাকা।
• তিন্দুতে থাকার ব্যবস্থা
এখানে মারমাদের বাস। এই আদিবাসীদের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই থাকা খাওয়ার
ব্যবস্থা আছে। তবে যেই বাড়িতে আপনি থাকবেন, সেখানেই আপনাকে খাবার খেতে হবে।
খাওয়ার খরচ তিন বেলায় ২০০ টাকা। এক্ষেত্রে থাকার জন্যে কোন খরচ দিতে হবে
না। মোবাইল নেটওয়ার্ক আছে শুধুমাত্র টেলিটকের। মোবাইল চার্জ দেবার ব্যবস্থা
আছে।
• রেমাক্রি
রেমাক্রি চেয়ারম্যানের নাম আফ্রো মং; তাঁর একটা রেস্ট হাউজ আছে এখানে, একটা
পাহাড়ের মাথায়। এক রুমের ভাড়া ৫০০ টাকা, ১০-১২ জন থাকা যায়। রেমাক্রি
বাজারে খাবার খরচ জনপ্রতি ৬০-৭০ টাকা। আগে থেকে কথা বলে দাম ঠিক করে নেয়া
ভালো। গাইডের ভাড়া ৩০০-৫০০ টাকা।
শীতের সময় থানচি থেকে বোট ছাড়াও হেঁটে রেমাক্রি, নাফাখুম যাওয়া যায়। তখন
থানচি থেকে তিন্দু পৌঁছতে ৬ ঘন্টা এবং তিন্দু থেকে রেমাক্রি পৌঁছতে আরো ৫
ঘন্টা সময় লাগে। “বড় পাথর” স্থানটি ভালো করে ঘুরে দেখা যায় কারণ তখন স্রোত
খুব একটা থাকে না। রেমাক্রি থেকে নাফাখুম যেতে দুটো রুট আছে। একটা রেমাক্রি
বাজারের আগে রেমাক্রিখুমের মুখ থেকে আর অন্যটা রেমাক্রি বাজার থেকে দুটো
পাহাড় ডিঙিয়ে তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে। প্রথম ক্ষেত্রে রেমাক্রি খাল
পেরোতে হবে চার বার দ্বিতীয় ক্ষেত্রে তিন বার। সময়ের পার্থক্যে ৩০-৪০ মিনিট
বেশি লাগবে প্রথম রুটে।
........একবার সুযোগ করে ঘুরে আসুন তিন্দু, বড়পাথর, রেমাক্রি, নাফাখুম.... উপভোগ করে আসুন ভিন্ন এক থ্রিলিং প্রকৃতি। স্যাটিসফেকশন গ্যারান্টেড!
রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১২
Shaolin Soccer (2001) DvdRIp Dubbed In Hindi (Dual AUdio) 775MB
IMDB Link:Click Here
After a fateful mistake costing his career, an ex-soccer player bum meets a shaolin kung fu student trying to spread the word of kung fu. The ex-soccer player helps reconcile with his five brothers, and teaches them soccer, adding shaolin kung fu as a twist.
[TITLE]:…………………..[ Shaolin Soccer
[YEAR]:…………………..[ 2001
[FORMAT]:…………………..[ Matroska
[iMDB RATING ]………………[ 7.3/10
[GENRE]:……………………[ Action | Comedy | Sport
[FILE SIZE]:………………..[ 771.62MB
[NO OF CDs]:………………..[ 1
[RESOLUTION]:……………….[ 608X336
[FRAME RATE]:……………….[ 25.00 Fps
[LANGUAGE]:………………..[ English | Hindi
[SUBTITLES]:………………..[ None
[ORIGINAL RUNTIME]:………….[ 01:25:36
[RELEASE RUNTIME]:…………..[ 01:25:36
| |||||
| tonmoy |
Click On The Link
Wait For Five Seconds And Then Right Click On
Copy The MediaFire Link And Paste It Into Your Browser Or New Tab
Wait For Five Seconds And Then Right Click On
Copy The MediaFire Link And Paste It Into Your Browser Or New Tab
[ Part 1 ] [ Part 2 ] [ Part 3 ] [ Part 4 ] [ Part 5 ]
[ FileServe (Single Link) ][ FilSonic (Single Link) ]
[ FileServe (Single Link) ][ FilSonic (Single Link) ]
mediafire4u.com
The Dirty Picture (2011) DvdRIp 720p [Upscaled] 785MB
IMDB Link:Click Here
Password : mediafire4u.com
Plot : Rebellious and uninhabited Reshma lives an impoverished lifestyle with her mother, Ratnamma, in 1980s South India. She is an ardent fan of film actor,
Suryakant, and her one ambition in life is to meet and act with him.
She runs away to Madras, and like, hundreds of young women, lines up outside Jupiter Studios to try and get noticed. With her plain, next-door-girl looks, she gets ignored but as fate could have it she is given a chance to play a minor role after she manages to sneak into the studios. The role exploits her as a sex symbol, driving males to the cinema houses to absorb her movements and beauty. Virtually overnight she, now renamed Silk, becomes a sensation, and together with the aging superstar, Suryakant, the one she had always fantasized about, she sizzles the silver screen with her sex appeal. Suryakant’s brother, Ramakant, an author, is smitten by her – so much so that he would like her to opt out of movies altogether…
[TITLE]:…………………..[ The Dirty Picture
[YEAR]:…………………..[ 2011
[FORMAT]:…………………..[ Matroska
[iMDB RATING ]………………[ 7.1/10
[GENRE]:……………………[ Biography | Comedy | Drama
[FILE SIZE]:………………..[ 787.27MB
[NO OF CDs]:………………..[ 1
[RESOLUTION]:……………….[ 1280X544
[FRAME RATE]:……………….[ 23.98 Fps
[LANGUAGE]:………………..[ Hindi
[SUBTITLES]:………………..[ None
[ORIGINAL RUNTIME]:………….[ 02:25:10
[RELEASE RUNTIME]:…………..[ 02:25:10
[SOURCE]:…………………..[ 720p - Upscaled - DVDRip - x264 - DD 5.1 - Msubs [DDR]
Click On The Link
Wait For Five Seconds And Then Right Click On
Copy The MediaFire Link And Paste It Into Your Browser Or New Tab
[ Part 1 ] [ Part 2 ] [ Part 3 ] [ Part 4 ] [ Part 5 ]Wait For Five Seconds And Then Right Click On
Copy The MediaFire Link And Paste It Into Your Browser Or New Tab
Password : mediafire4u.com
বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১২
বাংলাদেশে আউটসোর্সিয়ে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে Paypal
ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন বর্তমানে আধুনিক বিশ্বে সর্বজন বিষয়।বাংলাদেশ্ও এর ব্যতিক্রম নয়।প্রযুক্তির আর্শীবাদে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুবাদে এখন ঘরে বসেও অনেকে অর্থ উপার্জন করছেন।কিন্তু,দক্ষতা,মেধা ও প্রযুক্তির সুয়োগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের কয়েক হাজার ফ্রিল্যান্সারকে এখনো আক্ষেপ করতে হচ্ছে।কারন বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সবচেয়ে নিরাপদ প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল যে এখনো বাংলাদেশে বৈধতা পায়নি !
পেপ্যাল কি ?
ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিরাপদ প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল ( www.paypal.com)|eZ©gv‡b বিশ্বব্যাপী ২৩ কোটি ২০ লাখ গ্রাহক রয়েছে পেপ্যালের। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান ১৯০টি দেশে ২৪ মুদ্রায় লেনদেন করার ব্যবস্থা চালু রেখেছে ।
প্রতিবন্ধকতা
ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সবচেয়ে নিরাপদ প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত বৈধতা পায়নি।যার ফলে অনলাইনে আউটসোর্সিয়ের কাজ করতে গিয়ে অনেকেই নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছেন,যেমন-
১.পেপ্যালের বৈধতা না থাকায় বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ আনতে পারেন না।ফলে তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটের দ্বারস্থ হতে হয়।উক্ত সাইটগুলোতে ১০% অথবা ১৫% ফি কেটে কেটে নেয়। এভাবে প্রতি ১০০০ হাজার ডলারের কাজের জন্য ১০০ ডলার নিয়ে যাচ্ছে আউটসোর্সিং সাইটগুলো। অথচ পেপ্যালের বৈধতা থাকলে এখানে মধ্যবর্তী সাইটের কোন প্রয়োজন পড়তো না।
২.অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত আউটসোর্সিং সাইট রয়েছে যেখানে শুধু পেপ্যালের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।পেপ্যাল বৈধতা না পাওয়ায় দরুন এসব সাইটে কাজের সুযোগ হারাচ্ছে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ফ্রিল্যান্সাররা।
৩. অর্থ লেনদেনের জন্য বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা অন্য যেসব পন্থা Aej¤^b করেন সেগুলো অনেকের জন্যই জটিল,ঝামেলাপূর্ন ও ব্যয়বহুল।অর্থ লেনদেনের জন্য ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফার একটি নিরাপদ মাধ্যম।কিন্তু প্রতিবার উত্তোলনের জন্য এখানে যে চার্জ কেটে নেয়া হয় তা অনেকের জন্যই কষ্টসাধ্য ব্যাপার।এছাড়া আউটসোর্সিং সাইটগুলোতে পাই্ওনার মাস্টার ডেবিট কার্ডের সাহায্যে অনেকে অর্থ লেনদেন করে থাকেন।এই পদ্দতিতেও লেনদেনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমান ফি নেয়।এসব ফি অনেকের মোট উপার্জিত অর্থের একটি বিরাট অংশ।
৪.পেপ্যালের কার্যকরী ভুমিাকায় বর্তমানে সারা বিশ্বে ই-কর্মাস একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায় পরিনত হয়েছে।কিন্তু পেপ্যাল বৈধতা না পাওয়ার কারনে বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা পুরোপুরি বিকশিত হতে পারছে না।যেমন,পেপ্যাল বৈধতা পেলে বাংলাদেশের অনেক প্রযুক্তিপ্রেমী নিজের তৈরী ওয়েবসাইট থেকেই সহজ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পন্য বিক্রি করতে পারতেন।
অনিারাপদ অর্থ লেনদেনের পথ বৃদ্ধি
বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু না থাকার কারনে অনেকে ভিন্ন পথ Aej¤^b করতে বাধ্য হচ্ছেন।পেপ্যালের সেবা দেয়ার জন্য অনেকে ওয়েবসাইট চালু করছেন।এসব ওয়েবসাইট থেকে পেপ্যাল ব্যবহার করার জন্য বার্ষিক চার্জ্ও কেটে নেয়া হয়। অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের প্রবাসী AvZœxq¯^Rb বা বন্ধুবান্ধবের সাথে যোগসাজশ করে প্রবাস থেকে পেপ্যালের অ্যাকাউন্ট চালু করছে ।তারা পেপ্যাল ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্তি অর্থ কেটে নিচ্ছে ।এভাবে অনেক সময় অনেককে প্রতারিত হতে হচ্ছে ।তাই এই পদ্ধতিগুলো মোটেও নিরাপদ নয় ।
কষ্টে উপার্জিত অর্থ জলে
বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু না থাকায় অনেকেই বিদেশের ঠিকানা দেখিয়ে পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট চালু করে।কিন্তু পরবর্তীতে পেপ্যাল কতৃপক্ষ উক্ত ঠিকানার সত্যতা না পেলে উক্ত অ্যাকাউন্টের সকল লেনদেন বন্ধ করে দেয়।যার ফলে অ্যাকাউন্টে কোন অর্থ থাকলে তা আর ব্যবহারকারী সহজে উত্তোলন করতে পারে না।এভাবে আউটসোর্সিয়ের কাজ করে পাওয়া অনেকের কষ্ট উপাজির্ত অর্থ যেন জলে চলে যাচ্ছে !
অনলাইনে প্রযুক্তিপ্রেমী ও ফ্রিল্যান্স্যারদের দাবী
পরকরুনাময় আল্লাহপাকের নামে শুরু করছি।আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।
বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর দাবীতে প্পিসি হেলপলাইন ব্লগ সহ বিভিন্ন বাংলা ব্লগে ব্লগাররা লিখছেন । বেশ কিছু কমিউনিটি পেজ্ও তৈরী করা হয়েছে ।এছাড়া সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইটে পেপ্যাল চালুর দাবীতে শুরু হয়েছে জনমত গঠন।ফেসবুক ব্যবহারকারীরা পেপ্যাল চালুর দাবীতে গ্রুপ,পেজ তৈরী করছেন।এরকমই একটি পেজ ’ফ্রিল্যান্স হেলপলাইন’।এই পেজে যোগ দিয়ে আপনিও তুলে ধরতে পারেন বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর যৌক্তিকতাগুলো,পেজটির ঠিকানা- www.facebook.com/freelancebd
বাংলাদেশে পেপ্যালের দাবী বাস্তবায়িত হোক
বাংলাদেশে পেপ্যালের বৈধতা- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রযুক্তিপ্রেমী তরুন সমাজ তথা ফ্রিল্যান্সারদের প্রানের দাবী।শোনা যাচ্ছে, পেপ্যাল কতৃপক্ষ নাকি বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছে না।যদি তাই হয় তবে সরকারের বিষয়টি গুরুত্বসহাকারে দেখতে হবে।পেপ্যাল কেন আসতে চাইছে না বা সমস্যাগুলো কি কি সেগুলো নির্ধারন করে সরকারকে বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে হবে এবং অবিলম্বে বাংলাদেশে পেপ্যাল চালুর জন্য কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুনদের কাজের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।দক্ষতা,মেধা ও প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশের হাজার হাজার তরুন এখন ঘরে বসেই কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।কিন্তু সারা বিশ্বের ১৯০ দেশের ফ্রিল্যান্স্যাদের মতো সুযোগ পাচ্ছে না।কারন ১৯০টি দেশে পেপ্যালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে যে এখনো সে ব্যবস্থা নেই !
► ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির গোপন টিপস (পর্যায় 1) !!◄ Get Ready For a Speedy Internet Browsing….
➔ Get Ready For Speedy Internet Browsing….
বেশ
কয়েকদিন পরে আবার লিখতে বসলাম। আমরা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন
ব্রাউজার ব্যবহার করি। তো যারা মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার
করেন তারা সেটি Customize করে ইন্টারনেটের গতি বেশকিছুটা বৃদ্ধি করতে পারেন। এজন্য নীচের টিপসগুলো সতর্কতার সাথে অনুসরন করুন।*** মজিলা ফায়ারফক্সের সাহজ্যে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি ***
১) আপনার ইন্টারনেটে Page খোলার সময় কমাতে চাইলে সহজেই পারবেন ফায়ারফক্সের পাইপলাইন সুবিধাটির মাধ্যমে। এজন্য আপনি Address bar এ গিয়ে about:config লিখে Enter করুন। কোন নোটিফিকেশন আসলে Ok করে দিন। এবার ফিল্টারে যেয়ে টাইপ করুন network.http
এখন নীচে আসা লিষ্ট থেকে ‘network.http.pipelining’ –এর উপর ডবল ক্লিক করে ‘true’ করে দিন।
২) একই উপায়ে ‘network.http.proxy.pipelining’ –এর উপর ডবল ক্লিক করে ‘true’ করুন।
৩) ‘network.http.pipelining.maxrequests’ –এর উপর Right Click করে Modify অপশনে ক্লিক করেন এবং ভ্যালুর ঘরে মান 30 দিয়ে Ok করে দিন।
এর অর্থ হল আপনার ব্রাউজার একই সময়ে সর্বোচ্চ 30টি অনুরোধ জানাতে পারবে।
৪) এই পৃষ্ঠার ফাঁকা স্থানে Right ক্লিক করে New থেকে Integer অপশনটি সিলেক্ট করেন। এর নাম Type করেন nglayout.initialpaint.delay । এরপর Ok করে মানের ঘরে 0 লিখে পূনরায় Ok করুন।
এর অর্থ হল আপনার ব্রাউজার তথ্য পেতে 0 সময় অপেক্ষা করবে।
৫) সবসময় ব্রাউজারের Log পরিষ্কার করুন।
৬) টেম্পরারি ইন্টারনেট ফাইলগুলো এবং ‘Cookies’ -ব্রাউজের পরে পরিষ্কার করুন।
৭) Recent Browsing History কিছু সময় পরপর Tools থেকে ক্লিয়ার করে দিন।
তবে এতে আপনার ভিজিট করা সকল সাইটের ঠিকানা মুছে যাবে। আপনি Back করে আগের Page -এ সরাসরি ব্রাউজার থেকে যেতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে সাইটে থাকা Back অপশনে Click করতে হবে।
৮) যদি পারেন তো ব্রাউজারের Automatic Update অপশনটি নিস্ক্রিয় করে রাখুন।
৯) সম্ভব হলে ব্রাউজারের Tools > Option > Content থেকে Load Image Automatically থেকে টিক তুলে দিয়ে ইমেজ লোডকরা বন্ধ করে দিন। শুধু যখন প্রয়োজন ,তখন সুবিধাটি চালু করুন।
১০) পোর্টেবল ব্রাউজার ব্যবহার থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন এবং পারলে সবসময় আপডেটেড ব্রাউজার ব্যাবহার করুন।
গতি আরো বৃদ্ধি করতে ইন্টারনেট ডাউনলোড এক্সেলেটর ব্যবহার করতে পারেন। Internet Download Accelerator মাত্র 8MB সাইজের এবং এটি আপনার ডাউনলোডের সময় অনেকটা কমিয়ে আনে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
















